প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। মিনিয়াপলিসে সংঘটিত একটি ঘটনা এসব বিক্ষোভের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মিনিয়াপলিসে এক ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তার গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী আমেরিকান নাগরিক রেনি নিকোল গুড নিহত হন। এই ঘটনাটি ৭ জানুয়ারি মিনেসোটায় সকালবেলায় ঘটেছিল। গুডকে গাড়ির ভেতরে বসা অবস্থায় গুলি করা হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় নেতা ও বহু বিক্ষোভকারী ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানকে অযাচিতভাবে কঠোর বলে সমালোচনা করেছেন। তারা মিনিয়াপলিসসহ অন্যান্য শহরে আইসিই-এর কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। মিনেসোটার গভর্নর টিম ওলজ এবং মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকোব ফ্রে আইসিই-কে শহর থেকে সরিয়ে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।
এই অভিবাসন অভিযান, যা ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ নামে পরিচিত, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল।
গুডের মৃত্যুর পর বিচারপ্রক্রিয়া, তদন্ত এবং আইসিই-এর ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা চলছে। কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালানোর কথা বললেও, বিক্ষোভকারীরা ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ঘটনাটিকে জটিল ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে দাবি করছেন।
এই ঘটনাকে ঘিরে দেশব্যাপী বিভিন্ন শহরে এবং অনলাইনেও প্রতিবাদ ও সমালোচনা ছড়িয়ে পড়েছে, যা অভিবাসন নীতি ও আইসিই-এর ভূমিকা-সংক্রান্ত জাতীয় বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।

