আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসন থেকে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রার্থী এবং বিএনপির একজন বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি), অর্থাৎ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার সম্পন্ন করেন।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী রাত সাড়ে ৮টায় জাগো নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যাহারকৃতদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু রয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তারা উভয়েই নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
একইভাবে গজারিয়া ও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাজী আব্বাস কাজীও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ১০ দলীয় জোটভুক্ত হওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে তিনি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
উল্লখ্য, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হলেন কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন।
মুন্সীগঞ্জের তিনটি আসনে প্রাথমিকভাবে সর্বমোট ২৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর এখন ১৯ জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

