বর্তমানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আক্রমণের পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। এই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে হামলা চালিয়েছে।

গণমাধ্যম সূত্র থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ ইসরায়েল ও সৌদি আরব ওয়াশিংটনকে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

যদিও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের কথা বলে আসছেন, তবে গত এক মাসে তিনি ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বারবার ফোন করে হামলার পক্ষে সায় দিয়েছেন। একই সময়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।

সৌদি নেতা মার্কিন প্রশাসনকে সতর্ক করে জানিয়ে দেন যে, এখনই হামলা চালানো না হলে ভবিষ্যতে ইরান আরও বেপরোয়া, শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। যুবরাজ সালমানের এই নীতিকে তার ভাই ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান সমর্থন করেছেন। গত জানুয়ারিতে এক বৈঠকে তিনিও মার্কিন কর্মকর্তাদের সামনে হামলা না চালালে সম্ভাব্য পরিণতিগুলো তুলে ধরেন।

সৌদি আরবের এই অবস্থানের পেছনে দুটি প্রধান কারণ কাজ করেছে। প্রথমত, নিজেদের তেল স্থাপনাগুলোর ওপর ইরানের সম্ভাব্য হামলা এড়ানো। দ্বিতীয়ত, রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানকে দমনের আকাঙ্ক্ষা।

Exit mobile version